ঝাওলা গোপালপুর কলেজের উপাধ্যক্ষের বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সহ.অধ্যাপক তারিকুল ফেরদৌস

জামালপুর জেলা সদর উপজেলায় ৭নং ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে অবস্থিত ঝাওলা গোপালপুর কলেজের উপাধ্যক্ষ এবিএম ফরহাদ উদ্দীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কলেজ অধ্যক্ষ, গর্ভণিংবোর্ড সভাপতি জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব মোজাফফর হোসেন ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তারিকুল ফেরদৌস সম্পর্কে বক্তব্যে বেশ আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

তারিকুল ফেরদৌস উপাধ্যক্ষের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতে লিখিত বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, জামালপুর পাঁচ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মোজাফফর হোসেন ও অধ্যক্ষ এম মোফাজ্জল হোসেন সম্পর্কে কটুক্তির প্রতিবাদে কলেজ আয়োজিত মানব বন্ধনে আমি বক্তৃতা দিয়েছিলাম বলে সে (উপাধ্যক্ষ) আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। তার ফলে সে আমার সম্পর্কে উদ্ভট,বানোয়াট উদ্দেশ্য প্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছে।

তারিকুল ফেরদৌস আরও বলেন আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর ২০১৮ সালের পরিপত্র অনুযায়ী (ইনডেক্স থাকা ও জন্মতারিখের ভিত্তিতে জেষ্ঠ্যতা) সহকারী অধ্যাপক হয়েছি। আমার তৃতীয় শ্রেণির সনদপত্র দেখিয়েই (ঢাকা বিঃ) অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক হয়েছি। পদোন্নতি নিতে শিক্ষকদের স্বাক্ষর লাগে না। তিনি (উপাধ্যক্ষ) পাঞ্জাবী নেন নাই, টাকা নিয়েছেন। আমি কখনও জিয়া পরিষদ করি নাই। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম,জামালপুর এর সাধারণ সম্পাদক ও একজন আদর্শ শিক্ষক ও ভাষাসৈনিক এর সন্তান। আমি কলেজ এর দায়িত্ব পালন করে সামাজিক কাজ করি। ঝাওলা গোপালপুর কলেজ অধ্যক্ষের তথ্যমতে ফরহাদ উদ্দিন কলেজের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

ফরহাদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আছে। তিনি ছাত্রজীবনে কখনও আওয়ামী রাজনীতি করেন নাই। তার আজ মাথা খারাপ। তিনি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন। তিনি আওয়ামী রাজনীতির দোহাই দিয়ে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন। যা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *